বিখ্যাত কৌতুক চরিত্র সর্দারজির নানা কীর্তির কথা শুনে নিন আরেক দফা।
সর্দারজি ও তাঁর বন্ধু বান্তার মধ্যে কথা হচ্ছে—
বান্তা: তোর বাবা তো দর্জি, আর তুই কিনা ছেঁড়া শার্ট পরে এসেছিস! লজ্জা করে না তোর?
সর্দারজি: তোরও তো কোনো লজ্জাশরম নেই।
বান্তা: কেন, কী করেছি আমি?
সর্দারজি: তোর বাবা দাঁতের চিকিৎসক। আর তোর ছোট ভাইয়ের জন্ম হলো; পাটিতে একটি দাঁতও নেই!
সর্দারজি ও তাঁর স্ত্রীর মধ্যে কথা হচ্ছে—
স্ত্রী: কাল তো আমার জন্মদিন। গত বছর এই দিনে তুমি একটি লোহার খাট বানিয়ে দিয়েছিলে আমাকে। তা এ বছর কী দিচ্ছ, শুনি।
সর্দারজি: হুম্ম, ভাবছি এ বছর ওই লোহার খাটটিতে বিদ্যুতের সংযোগ দিয়ে দেব।
সর্দারজি ও হীরালালের মধ্যে কথা হচ্ছে—
হীরালাল: আচ্ছা, তুই এত জোরে মোটরসাইকেল চালাচ্ছিস কেন? একটু ধীরে যা না!
সর্দারজি: জোরে যাচ্ছি কী এমনি এমনি! অফিসের একটি চিঠি জরুরি পৌঁছে দিতে হবে।
হীরালাল: কোথায় পৌঁছাতে হবে সেই চিঠি?
সর্দারজি: আরে বোকা, ঠিকানা পড়ার সময় পেলাম কই। আমার রাজ্যের তাড়া।
হীরালাল: ও, ঠিক আছে। জোরে চালা তাহলে।
গাড়ির চাকা পাংচার হয়েছে। সর্দারজি রেগেমেগে গেছেন চালকের কাছে।
সর্দারজি: গাড়ির চাকা এমন পাংচার হলো কী করে?
চালক: একটা কাচের বোতল চাকার নিচে পড়ে ভেঙে গিয়েছিল স্যার।
সর্দারজি: গাড়ি চালানোর সময় তোমার চোখ থাকে কোথায়, শুনি? একটা আস্ত বোতল চাকার নিচে এল আর তুমি কিছুই টের পেলে না।
চালক: স্যার, চাকার নিচে একটা লোক এসে পড়েছিল। আর বোতলটা ছিল ওই লোকের পকেটে। তাই বোতলটি দেখতে পারিনি, স্যার।
বিক্রেতা সবজির মধ্যে পানি ছিটাচ্ছেন দেখে সর্দারজি চুপ করে এক কোনায় দাঁড়িয়ে রইলেন। সর্দারজিকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে সবজি বিক্রেতা বললেন, ‘কী ভাই, দাঁড়িয়ে আছেন কেন? সবজি কিনলে বলেন আর না কিনলে দোকানের সামনে থেকে চলে যান।’ সর্দারজির জবাব, ‘সবজি তো কিনতেই এসেছি। কিন্তু এত পানি ছিটানোর পরও তো আপনার সবজির হুঁশ আসছে না। সবজির হুঁশ ফিরে এলে এক কিলোগ্রাম সবজি কিনব, তাই দাঁড়িয়ে আছি।’
সর্দারজি ও তাঁর বন্ধু বান্তার মধ্যে কথা হচ্ছে—
বান্তা: তোর বাবা তো দর্জি, আর তুই কিনা ছেঁড়া শার্ট পরে এসেছিস! লজ্জা করে না তোর?
সর্দারজি: তোরও তো কোনো লজ্জাশরম নেই।
বান্তা: কেন, কী করেছি আমি?
সর্দারজি: তোর বাবা দাঁতের চিকিৎসক। আর তোর ছোট ভাইয়ের জন্ম হলো; পাটিতে একটি দাঁতও নেই!
সর্দারজি ও তাঁর স্ত্রীর মধ্যে কথা হচ্ছে—
স্ত্রী: কাল তো আমার জন্মদিন। গত বছর এই দিনে তুমি একটি লোহার খাট বানিয়ে দিয়েছিলে আমাকে। তা এ বছর কী দিচ্ছ, শুনি।
সর্দারজি: হুম্ম, ভাবছি এ বছর ওই লোহার খাটটিতে বিদ্যুতের সংযোগ দিয়ে দেব।
সর্দারজি ও হীরালালের মধ্যে কথা হচ্ছে—
হীরালাল: আচ্ছা, তুই এত জোরে মোটরসাইকেল চালাচ্ছিস কেন? একটু ধীরে যা না!
সর্দারজি: জোরে যাচ্ছি কী এমনি এমনি! অফিসের একটি চিঠি জরুরি পৌঁছে দিতে হবে।
হীরালাল: কোথায় পৌঁছাতে হবে সেই চিঠি?
সর্দারজি: আরে বোকা, ঠিকানা পড়ার সময় পেলাম কই। আমার রাজ্যের তাড়া।
হীরালাল: ও, ঠিক আছে। জোরে চালা তাহলে।
গাড়ির চাকা পাংচার হয়েছে। সর্দারজি রেগেমেগে গেছেন চালকের কাছে।
সর্দারজি: গাড়ির চাকা এমন পাংচার হলো কী করে?
চালক: একটা কাচের বোতল চাকার নিচে পড়ে ভেঙে গিয়েছিল স্যার।
সর্দারজি: গাড়ি চালানোর সময় তোমার চোখ থাকে কোথায়, শুনি? একটা আস্ত বোতল চাকার নিচে এল আর তুমি কিছুই টের পেলে না।
চালক: স্যার, চাকার নিচে একটা লোক এসে পড়েছিল। আর বোতলটা ছিল ওই লোকের পকেটে। তাই বোতলটি দেখতে পারিনি, স্যার।
বিক্রেতা সবজির মধ্যে পানি ছিটাচ্ছেন দেখে সর্দারজি চুপ করে এক কোনায় দাঁড়িয়ে রইলেন। সর্দারজিকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে সবজি বিক্রেতা বললেন, ‘কী ভাই, দাঁড়িয়ে আছেন কেন? সবজি কিনলে বলেন আর না কিনলে দোকানের সামনে থেকে চলে যান।’ সর্দারজির জবাব, ‘সবজি তো কিনতেই এসেছি। কিন্তু এত পানি ছিটানোর পরও তো আপনার সবজির হুঁশ আসছে না। সবজির হুঁশ ফিরে এলে এক কিলোগ্রাম সবজি কিনব, তাই দাঁড়িয়ে আছি।’

No comments:
Post a Comment